Subhas Mitra : 31 May 2024 (প্রথম বাংলা লেখা- বানান ভুল মার্জনিয়)
কেন যেন আজ এই অপ্রচলিত একটা কবিতা মনে পড়ে গেলোঃ
দিন বদলের সময় হলো , ঘুম থেকে ওঠো বন্ধু,
বল ভারত আমার দেশ, আমরা সবাই হিন্দু।
হিন্দু জাতি প্রাচিন, ওঠেনি মাটি ফুঁড়ে,
সূর্য সম পরিচিতি সারা বিশ্ব জুড়ে।
মানবতার সভ্যতার ভারত কেন্দ্র বিন্দু। ……………………
কবি ঃ শ্রী বৈদ্যনাথ ব্যানার্জি
কবিতা পড়ছি আর ভাবছি ঃ
ঘুম থেকে তো উঠবো কিন্তু এই যুগ যুগ ঘুমিয়ে কাটানোর কারন যদি না জানি তাহলে তো ঘুমের ঘোর কাটতে কাটতে আবার ঘুমিয়ে যাবো।
তাই দেখা যাক আমরা আফিম, গাঞ্জা, ভাঙ খেয়ে ঘুমাই নি তো?
একটা বয়সে এসে মনে হল আমি “আক্কেল নাশক কারন শুধা” (sense destroying intoxicant) পান করে “নিজলিঙ্গপ্পা” হই নি তো?
ভূমিকা :
আমার উপলব্ধি বলে রাজনৈতিক ইতিহাসের চেয়ে, একটি ভাষার ইতিহাস এবং ভাষাতত্ত্ব যে কোনো ভাষাগত গোষ্ঠীর চিন্তন প্রক্রিয়ার বিবর্তন সম্পর্কে আরও ভাল ব্যাখ্যা দিতে পারে।
বাঙালী হিন্দুরা কেন এভাবে চিন্তা করে? এই বিষয়ে লেখা অনেক পাণ্ডিত্যপূর্ণ বই আছে কিন্তু এখানে আমার ধারনা একটু আলাদা .
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসবিদ এবং একজন সংস্কৃত পণ্ডিত শ্রী হরপ্রসাদ শাস্ত্রী 1907 সালে নেপাল রাজার সংগ্রহে “চর্যাপদ” পাণ্ডুলিপি আবিস্কার করেন এক অঘোরি তপস্বীর কাছ থেকে সুচনা পেয়ে। তিনি বাংলার মহাসিদ্ধ সিদ্ধাচার্য লুইপা বা লুইপদও কে ও আবিষ্কার করেন যিনি এক কৈবর্ত সম্প্রদায়ের একজন বৌদ্ধ সাধক ছিলেন। তিনি ও “চর্যাপদ” ভাষায় লিখতেন।

মগধের বৌদ্ধ শাসকরা সংস্কৃত কে পরিত্যাগ করে প্রাকৃত ও পালিকে উন্নত করতে চেয়েছিলেন। বিহার, বাংলা, আসাম এবং ওড়িশায় একটা সাধারণ ভাষা আনার জন্য “চর্যাপদ” এসেছিল যা স্বল্পস্থায়ী হয় এবং বিহার এবং ওড়িশা লিপি পরিবর্তন করে আসাম ও বাংলা সাধারণ লিপি ব্যবহার করে।
বৌদ্ধ – 409 বছর (সংস্কৃত বিরোধী)
1342 খ্রিস্টাব্দের মধ্যে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার শাসক হন (তার বংশ 1487 সাল পর্যন্ত শাসন করেছিল।
এই 200 বছরের মধ্যে হিন্দুদের কী হয়েছে আমি জানি না। পণ্ডিতরা জানেন কিন্তু মালদহ (রাজশাহী), ময়মনসিংহ এবং পান্ডুয়ার (হুগলি) স্থানীয় মৌখিক / প্রচলত তথ্য অনুসারে সমস্ত দৃশ্যমান হিন্দু –বৌদ্ধ মন্দির, মঠ, বিহার, স্তুপ, বিশ্ববিদ্যালয়, মহাবিদ্যালয়, বিদ্যালয়, মহা পাঠশালা ও পাঠশালাগুলির “বাষ্পীভুত ” (ছু–মন্তর)” সম্পর্কে অনেক গল্প আছে। বাঙালিদের প্রাচীনতম শিব মন্দির এখন মালদহের একটি জুম্মা মসজিদ এবং বিষ্ণু মন্দির হল ত্রিবেণীর একটি দরগাহ (উভয় পশ্চিমবঙ্গ)।
মন্দির নির্মাণ ও মূর্তিপূজা নিষিদ্ধ করা হয়। সংস্কৃত গেল, মন্দির গেল, মূর্তিপূজা গেল কিন্তু ইসলাম মানতে অস্বীকার করার জন্য শিরচ্ছেদ হত না ।
এটা কি মূর্তিপূজকদের উপর বিরাট ‘মেহেরবানি’ ছিল না ? তাই মনে হয় আমাদের রক্ত কণিকা আজও মুসলমানদের কাছে কৃতজ্ঞ?
কে এবং কিভাবে হিন্দু ধর্ম রক্ষা পেল:
অধ্যাপক ড. দীনেশ চন্দ্র সেন এবং লীলা রায় বড়ু চণ্ডীদাসের অবদান বর্ণনা করে বাংলা সাহিত্য ও ভাষার বিকাশ নিয়ে লিখতে গিয়ে দুজনেই স্বীকার ( একাধিক) চণ্ডীদাস অবদান। তাকে শ্রীকৃষ্ণের বৈষ্ণব ভক্ত হিসেবে অভিহিত করা হয়।
তাই বলে তিনি যে একা ছিলেন না তার প্রমান নিন্মক্ত ঘটনাগুলোঃ
• শৈব ঃ (হর – হরি) : শিব রূপে মানুষের পোশাক পরিধান করা
• রামায়ণ এবং মহাভারত: পটচিত্র ও পট কথাতে গল্প হিসাবে বলা হয়েছিল।
• রামায়ন হয়ে উঠল: “ভণিতা” সাহিত্যিক চরিত্রে বাস করা বাস্তব জীবন বা নাট্য রুপ দেওয়া।
• তন্ত্র: তান্ত্রিক আচারগুলি বেশিরভাগই গোপন ছিল তবুও তারা হিন্দুদের শ্মরন করিয়ে দেওয়ার জন্য মানুষকে “মা কালীর” মতো পোশাক পরার জন্য প্রচার করেছিল।
• বৈষ্ণব–সহজিয়া ঃ আন্দোলন কেরালা বা কাশ্মীরের “শ্রী বিদ্যার” বিপরীতে তন্ত্রকে একটি নতুন দিকে নিয়ে যায়। এই “বৈষ্ণব–সহজিয়া “ যে “বৌদ্ধ তন্ত্র “ কি না জানা নেই।
বৈষ্ণব:
1. চণ্ডীদাস শ্রী কৃষ্ণের বনিতা (নাটক), কীর্তন ও ভজন শুরু করেন।
2. আমার ব্যক্তিগত মতামত হল: সম্ভবত চৈতন্য মহাপ্রভু রামায়ণের সরঞ্জাম ও ব্যাবস্তাপনা কে জটিল বলে মনে করেছেন। তাই তিনি একটি সহজ “মন্ত্রে” হর (শিব ), হরি বা হরে) কৃষ্ণ এবং রামকে একত্রিত করেছিলেন।
3. কায়িক কঠোর পরিশ্রমী লোক যারা আধ্যাত্মিক চর্চা বা অধ্যায়ন এ অপারক তাদের যন্য হরিচাঁদ – গুরু চাঁদ ঠাকুর মূর্তি ছাড়াই জোরে জোরে হরি জপ করার আরও সহজ মন্ত্র দিয়েছেন।
যারা বাংলায় হিন্দুধর্মকে বিলুপ্তির হাত থেকে বাঁচিয়েছেন , বড়ু চণ্ডীদাস তাদের স শিরোমণি বলে আমার মনে হয়েছে।
তিনি যখন আজকের বাংলা ভাষার রূপরেখা দেওয়া শুরু করেন তখন পান্ডুয়ায় সুফি কবি নুর কুতুব , (পুন্ডুয়ায় 1415) “রিখতা” ভাষা শুরু করেন। “রিখতা” ভাষা যার ৫০% (কেউ কেউ বলে ৭০%) ফার্সি এবং বাকিটা স্থানীয় কথিত ভাষা / উপভাষায় ।
তারপর এল, খ্রিস্টান শাসন।
• খ্রিস্টান শাসন করেছেন – 286 বছর ( গোপনে ভারতিয় সব কিছুর বিকৃতি ও ধংস করার ইচ্ছা )
• হিন্দুরা মাত্র ১৬৪ বছর রাজত্ব করে। (বিভ্রান্ত সংস্কারকদের শাসন কাল)
শ্রীরামপুরে চার্চ কর্তৃক বাংলায় প্রিন্টিং প্রেস চালু হলে সংস্কৃত ও চর্যাপদ সহ বাংলা সাহিত্য নতুন আকার ধারণ করে।
ছাপাখানাকে ওট্টমান খলিফা “ হারাম” ঘোষণা করেছিলেন কিন্তু কিছু স্থানীয় মুসলমান (অধিকাংশই আজলাফ এবং আরজাল) একই বাংলা ভাষায় লিখতে শুরু করেছিলেন (মীর মুশারফ হোসেন প্রমুখ)। আমার মনে হয় মুসলিম লীগ গঠনের সাথে (1906) রিক্তা, আরবি এবং উর্দু আমাদের ভাষায় প্রবেশ করে।
এবার দেখাযাক আমাদের “আধ্যাত্মিক অসঙ্গতি” ( spiritual cognitive dissonance) নামক নেশার মূলের দিকে।
কেমন তার নেশা ?
- বড়ু চন্ডিদাস বা চণ্ডীদাস (1339–1399 AD )ঃ
অথবা বড়ু চণ্ডীদাস, দীন চণ্ডীদাস ও দ্বিজ চণ্ডীদাস । আসল নাম অনন্ত “বড়ু” শব্দটি “বটু” বা “বাড়ুজ্যে” । জন্ম , বাংলাদেশের মাগুরা জেলা, সাধনা -বীরভূমের নানুরে বাশুলীদেবীর মন্দিরে। শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম স্বাধীন মুসলিম শাসনকর্তা( মুলত পারস্য ভাষী মধ্য এশিয়া র লোক )। মহারাজ গণেশনারায়ণ রায়ভাদুড়ি (শাসনকাল ১৪১৫) ছিলেন বাংলার একজন হিন্দু শাসক। তিনি বাংলার ইলিয়াস শাহি রাজবংশকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতায় এসে সমগ্র বাঙ্গালা জুড়ে স্বাধীন হিন্দু সাম্রাজ্য স্থাপন করেন । তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজবংশ ১৪১৫-১৪৩৫ সময়কালে বাংলা শাসন করে। তাঁর পুত্র রাজা “ যদুনারায়ণ” তার রাজত্ব বাচানোর একটা ই রাস্তা খোলা ছিল । সেই রাস্তা ধরে তিনি হয়ে জান “জালালউদ্দিন মুহাম্মদ শাহ” ।
ইলিয়াস শাহী পরাজিত করে গনেশ দেব কৃত্তিবাস ওঝা কে রামায়ন বঙ্গানুবাদ করতে বলেন। গনেশ দেব নিহত হন , ছেলে মুসলমান হয়ে অনাকে বলে “ বাবার ইচ্ছা পুরন চাই সেই সাথে মুসলমান সাসক্রাও যেন খুশি হন ঃ
- বাল্মিকি ডাকাত
- সীতার অগ্নি পরীক্ষা
- অকাল বোধন দূর্গা পুজার মত অনেক কিছুই শারিয়া বিদ্বান্ দের তুস্ট কতে ঢুকানো হয়।
( Ref: No-1 : আবুল ফজল,
সহযোগী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
https://www.facebook.com/watch/?v=2115154652176651 )
সাধারন হিন্দুদের কি অবস্থা ছিল নিশ্চই বলার অফেক্ষা রাখে না।
একই বৃন্তে দুটি ফুটন্ত ফুল – তাই না?
হিন্দুর ধর্মান্তকরন কত চরমে ছিল বুঝতে কস্ট হয়ার কাথা না। এই ধর্মান্তকরন সন্ত্রাস হ্রাস করতেই হয় তো এই ১২৫০ টি শ্রী কৃষ্ণ ভক্তি গিতি রচয়িতা বলে ঊঠলেন
“ সবার উপরে মানুশ ধন্য তাহার উপরে নাই “।
চণ্ডীদাসের মৃত্যু সম্বন্ধে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের আবিষ্কর্তা বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ স্থানীয় প্রবাদের উল্লেখ করেছেন । চণ্ডীদাস একবার গৌড়ের নবাব সুলতান মেহেমুদ শাহ র রাজসভায় গান গাওয়ার অনুরোধ রক্ষা করতে সেখানে যান। তাঁর গান শুনে নবাবের “বেগম” মুগ্ধ হয়ে চণ্ডীদাসের গুণের অনুরাগিণী হয়ে পড়েন। বেগম একথা নবাবের কাছে স্বীকার করলে নবাব ক্রোধের বশে চণ্ডীদাসকে মৃত্যুর দণ্ডাদেশ দেন।


কেউ বলেন গানটি ছিল ঃ
“মরম না জানে, ধরম ব্যাখানে, এমন আছয়ে যারা।
কাজ নাই সখি, তাদের কথায়, বাহিরে রহুন তারা।
আমার বাহির দুয়ারে কপাট লেগেছে – ভিতর দুয়ার খোলা।“
“কহে চণ্ডীদাস, কানুর পীরিতি – জাতিকুলশীল ছাড়া।“
সহজিয়া গুরুবাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি লেখেন,
“শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ বড়, তাহার উপরে নাই।“
কথাটির মুল উৎস হল ঃ
- অদ্বৈত বেদান্তের মূল দর্শন। যা যজুর্বেদের বৃহদারণ্যক উপনিষদ পাওয়া যায়।… অহং ব্রহ্মাস্মি , “অয়ং আত্মা ব্রহ্ম“,”তৎ ত্বং অসি” ও “প্রজ্ঞানং ব্রহ্ম“।
- ভগবদ্গীতা: অধ্যায় 7, শ্লোক 6 : আমি সমগ্র সৃষ্টির উৎস,এবং আমার মধ্যে, এটা আবার দ্রবীভূত.
( এবার দেখবো কালের চাপে বাংলা সমাজে তার কি ব্যাবহার হয়েছে)
- আশ্রাফ দের শ্রেষ্ঠত্ব আর এই “মন্ত্র” মিলে আজলাফ ও আরযাল (পাচনান্ডা) মুসলমানদের হিন্দুবিদ্বেশি মনোভাব উদ্ভবে বাধার কাজ করেছিল বলে আমার মনে হয়েছে। ( India Beyond Narratives বইতে পূর্ণ বিবরন আছে। )
- হিন্দু “বিনাশ” করা আগুনে যে এই “মন্ত্র” জল ঢেলে ছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই।
- এই একটি মন্ত্র কাজে লাগিয়ে চার্চ (ইংরেজরা) ঐ “কারন সুধা” বানিয়ে শিক্ষা ও সাহিত্যের মাধ্যমে “ নাস্তিকতা” ও “কমুনিস্ম” এর নেশা ধরিয়ে দিল। প্রতি ক্ষেত্রে এই কারন সুধার ব্যাপারি ও ক্রেতা হলেন শুধু হিন্দু।
- এক তন্ত্র সিদ্ধ্য মহাপুরুষের আশ্রমে মাঁ কালীকে সরিয়ে যিশু ও নর পুজা চালু হয়ে গেলো । আমিও নেশাগ্রস্ত হলুম।
(Ref: Sen, Prof. Dinesh Chandra. History of Bengali Language And Literature. Devnath, Samaresh (2012). “Chandidas”. In Islam, Sirajul; Jamal, Ahmed A. (eds.). Banglapedia: National Encyclopedia of Bangladesh (Second ed.). Asiatic Society of Bangladesh.)
- হোসেন শাহী রাজবংশ ঃ ১৪৯৪ থেকে ১৫৩৮
এই রাজবংশ নিয়ে হিন্দুদের গর্বের শেষ নেই। আমিও India Beyond Narratives বইতে লিখেছি। চুট্টিখানী মহাভারত থেকে মনসা মঙ্গল, পদ্মপুরাণ ইত্যাদি যেমন হয়েছে তেমনি সত্য নারায়ন- সত্য পীর , গাজী পীর, মানিক পীর হয়েছে। বন দেবি- বন বেগম হয়েছে।
**যারা সত্যনারায়নের পাঁচালী পড়েন নি তারা অবশ্য ই পড়ুন আর দেখুন শুধু জ্যোত বসু , মমতাকে গালা গালি দিলে কি হবে?
- মারাঠা দের বর্গী দস্যু উপখ্যান দিয়ে আমি তুর্কী , পাঠান, ঊজবেক দের আপন করেছি।
- আমরা নবাব সিরাজউদ্দৌলার ব্যাপারে ইতিহাস কে বুড়াঙ্গুল দেখিয়ে “ নাটক “ লিখে তাকে মহান বাঙ্গালী বানিয়েছি, হিন্দু প্রেমি বানিয়েছি এমনকি জগৎশেঠের সঙ্ঘে তার জঘন্য ব্যাবহার াকে আমরা সেচ্যায় উড়িয়ে দিয়ে হিন্দু- মুসলিম ভাই ভাই করেছি।
আজ আমরা অন্ততঃ শিতল্কুচি- সন্দেশখালি কে কিছু লোক কে তো বুঝাতে পারছি।


- প্রথম বাংলা ছাপানো বই –
বাইবেল (1778 AD) মাত্র ৩২ বছরে ২ লক্ষ বই প্রকাশিত হয় এবং প্রতিটি বই হিন্দু ধর্ম কে নিকৃষ্ট ও খৃষ্টান ধর্ম ও পাশাত্ব ব্যাবহার আদি উৎকৃষ্ট দেখানো হয় ( Ref No-1) . সুতারাং হিন্দু জাত ঐ শিক্ষায় শিক্ষিত তত কারন শুধা গ্রস্ত ।
- “হিন্দু স্কুল” হল ইংরেজি ভাষায় পাঠ্য ও সব ধর্মের ছাত্রদের জন্য । তার বাংলা সাহিত্যের সিলেবাস এত জঠিল ভাষায় করা হল জাতে তারা বাংলা ছেড়ে ইংরেজি নেয়। অথচ আবরি মাদ্রাসা সুদু ওদের জন্য । আজ ২০২৩ এ ও হিন্দু স্কুলে সরস্বতী পুজা নিশেধ । আলিয়াতে কাফের মহিলা টিসার কে বোরখা পরতে বলা হয়।
- এক মাদ্রাসায় পড়া ব্রাহ্মনের সন্তান সংস্কৃত ভাষার সত্যেনাশ করে – ইংরেজি ব্যাবসা করেতে গিয়ে অকাল মৃত্যু বরন করে মাটির নিচে জান। মুখাগ্নি হল না।

- এক যশোরেরে মুন্সীর ছেলে কলকাতায় আসে আংরেজ হতে ও হীন্মন্নতার সিকার হয়। ওটা কাটিয়ে ঊঠতে গিয়ে খ্রিস্টান হল- সে বাল্মিকি র ভুল ধরে। ঈংরেজদের খুশি করতে শ্রী রাম চন্দ্র কে উপনিবেশক আর রাবন কে ভিন্য সমাজের নিপিড়িত দেখান । Ref:No-1 বলেন বিবেকানান্দ ও নাকি তার সমর্থন করেছেন।
- একজন ইংরেজ দের কছেপাণ্ডিত্য দেখাতে গিয়ে কলকাতা বিস্বাবিদ্যালয় সিলেবাস থেকে রামায়ন, মহাভারত, উপনিশধ বাদ দিয়ে দেন।
- বেশ কয়েকজন খ্রিস্টান হয়ে এলিট হিন্দুদের সাধারন হিন্দুদের থেকে সরিয়ে দিয়ে এক “গোজামিল সমাজ” বানিয়ে ফেললেন।
- মুসলমান সুবেদার এর দরবারের এক হিন্দু কর্মচারি প্রতারিত হয়ে গোমাংস খাওয়ার যন্য আনেক দূরে হরিযন বস্তীতে নির্বাসিত হন। কি প্রতিভা , কয়েক দশকের মধ্যে ইঙ্গেরজদের সান্যিধ্যে এসে জমিদার হয়ে গেলেন। কি করে? জানলাম ২০২৪ এ বাংলাদেশের এক ভাইজান একটা ভিডিও তে সব বিবরন(Ref) তুলে ধরেছেন । ( সবটা মানতে পারলাম না তাই দিলাম না)
- একজন শারিয়া ভুক্ত হীন্দু তৈরি করে ভাই-ভাই সম্পর্ক গড়তে চেয়েছিলেন। আজ আমার নাতি কে তার জন্মস্থান মানচিত্রে দেখাতে পারি না। তিনবার বাংলার রাজধানি হওয়া সত্যেও আজ তার সুন্নৎ নাম হয়ে গেছে। মুনশজঞ্জ ।
- কেউ তো ৫৬% মুসলমানদের সংঘে মিলে ভারত থেকে বেরিয়ে আলাদা দেশ গড়তে চেস্টা করেছিলেন। কি মহান দুরদর্শিতা।
- এর মধ্যে আবার আমরা আবার বাঙ্গাল-ঘটি ও করেছি, দেখুনঃ https://www.facebook.com/subhas.mitra.54/posts/pfbid036fednF5R6gGiDHYFom2rtzy3ouEDqof1yejAjVaBUwVFAh4neUDX6hh2Cu5zKeykl
- ধর্মনিরপেক্ষ বাঙ্গালীর “আটপরে” জাতিয়তাবাদ” ও দেখার মতঃ
“বাংগালী” । কবে যে এই শব্দ টা হিন্দু–মুসল্মান এক করে দিয়েছে আমি জানি না – মুসলিম লীগ ও জানতো না।( আওয়ামী লীগের প্রথম নাম – আওয়ামি মুস্লিম লীগ) শুধু ইংরেজি ঘেশা হিন্দুরা জানতো – তাই তো রাখী নয়ে রাস্তায় নেমেছিল বঙ্গ ভঙ্গ ঠেকাতে।
এর পরের সব ইতিহাস মুসলমান রা জানে কিন্তু ধর্মনিরপেক্ষ হিন্দুরা ও সব মনে রেখে সাম্প্রদায়িক হতে চায় নি –আজও চায় না।
বুদ্ধ ধর্মের প্রভাবে পূর্ব বঙ্গ মুসল্মান বহুল হলেও বিপ্লবী স্বাধিনতা সংরামী ও কালাপানি র মত সাস্তি পাওয়ার মধ্যে কোথাও সুন্নৎ বাঙ্গালী আছে বলে আমি জানি না।
1. পাকিস্তান থেকে যে রক্তভেজা ট্রেনে হিন্দু শব এসেছিল তার গায়ে লেখা থাকত – এই নাও স্বাধিনতা সংগ্রামের পুরস্কার।
2. পূর্ব পাকিস্তানে যে হিন্দুরা লাহোর সামজোতা স্বাক্ষর হয়ার পর ও নিজের টাকায় ও জায়গায় স্কুল, কলেজ, মাঠ, পুকুর কেটে ছিল, সংগ্রাম করেছিল , বানিজ্য ও সাহিত্যে খ্যাতি অর্জন করেছিল তারা ভারতে
শরণার্থী হয়ে গেলো । আজো তাদের বংশধর খুজলে রেল লাইনের পাশে পাওয়া যাবে।
- কয়েক জন তো কলকাতা কিলিং, নোয়াখালি কে তুচ্ছ ঘটনা বলে উড়িয়ে দেয়ে মহান কলাকার হতে চাইলেন। ১৯৭১ এ এশে এনারা ১৯৪৭ ই ভুলেইয়ে দেওয়ার সাহিত্য ও সিনেমা বানানো শুরু করে দিলেন।
- তিনজনের কথা না বললেই নয়। এনারা অন্ধবিশ্বাস যুক্ত , কু সংস্কারগ্রস্ত , নিকৃষ্ট হিন্দু ধর্মে “ মানবিকতা” না পেয়ে “নাস্তিক” সেজেছেন কিন্তু বাইবেল, কোরান ও দাস ক্যাপিটাল এর সরনাপন্ন্য ও হয়েছিলেন। সেই মানবিকতা কে তুলে ধরতে ওনারা পঃবাংলার চলচিত্র জগতের শিরোমণি হয়েছেন। বাংলা ও ভারতের নাম উজ্জ্বল করেছেন।
- সত্যজিৎ রায় ঃ ও বাংলার বাবার নামে জালা কিশোরগঞ্জ যেখানে “উজান-ভাটির মিলিত ধারা, নদী-হাওর মাছে ভরা” ছেড়ে এলেন কলকাতায়। কেনো সেই জমিদারি , পৈত্রিক মহল ছেড়ে এই কলকাতার ফ্লট বাড়ীতে কেনো ছিলেন? আমাকে বললেন দড়ি ধরে মার টান…… তার পর কি হবে বলে গেলেন না।
- মৃণাল সেন ঃ আইপিটিএর (ইন্ডিয়ান পিপ্লস থিয়েটার অ্যাসোসিয়েশন) সঙ্গে যুক্ত হন ১৯৪০ এর দশকে। ফরিদপুরেরে ১৪ গ্রামের মধে বড়লোকের ছেলে। অট্টালিকা আজো আছে। তিনি পঃ বাংলার যুব সমাজের পশ্চাৎ লাল করে দিয়ে হাতে বাটী ধরিয়ে চলে গেলেন।
- রাজশাহীর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর ছেলে .১৯৪৭ এ ঠেলায় পড়ে সুরসুড়িয়ে সব ফেলেরেখে কলকাতায়। ইনি আমাকে “তারা” দেখাতে গিয়ে মেঘের ঘন ঘটার কথা বলতেই সময় পেলেন না।
আমার প্রশ্ন ঃ এনারা মাণোব ধর্ম ঢাকায় কেন দেখালেন না? বাংলায় তো সব এক ।

- এ বাংলার আর্থিক স্তর/ মান ১ থেক ২২ এ নেমে গেলো কিন্তু কারো চখে লাল ধ্বংসলীলা পড়লো না ।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ‘কমফর্ট উইমেন’ (সোনাগাছি বৃটিশ সৈন্য দের কমফর্ট এর জন্য তৈরি হয়েছিল) এই কলকাতায় এসে নোবেল জয় করলেন আমাদের জনতত্ত্ব হ্রাশ করে। আমার কি আনন্দ- বাড়ির দেওয়ালে ছবি উঠে গেলো – কিন্তু সে কি করে গেল তা জানতে চাই না। আমি বাবা Baba Amte আমতের নাম জানি না – মা মা বলে নেচে যাই। তিনি নাকি সিটি অফ স্লাম ( বস্তি) কে জিশু খৃস্ট কে দিয়ে সিটি অফ জয় (আনন্দ) করেছেন।
- ২০২৪ এ এসে এমন হিন্দু দেখছি যারা সন্দেশখালি ভুলপ্রম করে, রোহিঙ্গাদের ,অনুপ্রশকারী ও ওবাংলার সন্ত্রাসবাদীদের অথিতি মনে করে। দেশের সুরক্ষা কে যে তোয়াক্কা করেনা ,, দেব দেবতাদের নিয়ে ঘৃণ্য উপহাস করা লোক জন এখন পারলামেন্ট সদস্যের টিকিট পায়।
এত সব “বটিকা” খেয়ে কি জেগে থাকা জায়?
কিন্তু আমরা আছি ও থাকবো।
উপসংহারে কয়েকটা কথা না বললে নয়;
- বাংলার রাজা জদুনারায়ন রাজত্ব রক্ষা করতে মুসল্মান হয়ছে কিন্তু তার রাজত্ব হিন্দু শুন্য করে নি। রাজপুত রাজা অজ্ঞ্যাত বাসে ঘাষ পাতা খেয়েও নিজের পরিচয় ও রাজত্ব ছাড়ে নি। শিখ বীরেরা আত্ম বলীদান করেছে কিন্তু ধর্ম ছাড়ে নি। মারাঠারা উচিৎ শিক্ষা দিয়েছে। কিন্তু কেউ মুশল্মান ধর্ম বা তাদের মহিলা ও শিশুদের ক্ষতি করে নি। বদলে মুশল্মান রা কি করেছে লেখার প্রয়জন হয় না।
- অথচ পারস্যের রাজা চোসরোস হজরত মুহম্মদের প্রস্তাব চিঠি ঔদ্ধত্য দেখিয়ে ছিঁড়ে ফেলেছিল।
- একজন তো কাবার পবিত্র পাথর ভেঙ্গে দেয়।
- অন্যদিকে আবু তাহির আল-জান্নাবী, 930 সালে, মক্কা আক্রমণ ও লুটপাট করেছিলেন এবং ইসলামের সবচেয়ে পবিত্র স্থানগুলিকে অপমান করেছিলেন। একবার শহরের প্রাচীরের ভিতরে কারমাশিয়ান সেনাবাহিনী তীর্থযাত্রীদের হত্যা করতে শুরু করে, কুরআনের আয়াত দিয়ে তাদের কটূক্তি করে। তীর্থযাত্রীদের মৃতদেহ রাস্তায় পচে ফেলে রাখা হয়েছে।


আজ তারা কোথায় আমরা কোথায় ?
- খৃষ্টান শাসকরা এটা জেনেই তারা ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়ার মত খুন করে ঈষাই না বানিয়ে মগজ ধোলাই ও কারন শুধা র রাস্তা ধরে। আমরা এটা খুব খেয়েছি । আমাদের অনেকেই মনে করে খৃষ্টান রা ওদের চেয়ে ভালো। হু !
- আমাদের পূর্বপুরুষ ধর্ম সংস্কৃতি বাচিয়ে রাখতে যুদ্ধ করেছে, সং সেজেছে , অসহ্য সহ্য করেছে, আব্রাহামীক গরল হজম করেছে , আত্ম গ্লানি হজম করেছে । বিনিময়ে বাংলা, কেরালা, কাশ্মীর ও তামিল হিন্দুরা তার কি প্রতিদান দিচ্ছে?
- উপমহাদেশের আব্রাহামিক রা হিন্দুদের কাপুরুষ, নির্বোধ ও বিশৃঙ্খল মনে করলেও আরব ও ভাটিক্যান / কওকাশিয়ানরা হিন্দু জাগরনের যথার্থ মানে খুব ভালো ভাবে বুঝে গেছে।
বাংলার লাল-সবুজ মার্কা হিন্দুরা যে কবে বুঝবে আর “‘কারন শুধার চুরন”’ ছাড়বে কে জানে।




You must be logged in to post a comment.